স্টক ভেরিফিকেশন
গুদামে পণ্য ঢোকার সময় বস্তা গণনা ও মোট ওজন লিপিবদ্ধ হয়। সাপ্তাহিক স্টক গণনার সঙ্গে সিস্টেমের হিসাব মেলানো হয়, অমিল থাকলে তা রেকর্ডে থাকে।
আমরা '১০০% নিশ্চয়তা' বলি না। বদলে কোন কাজটা কীভাবে হয়, সেটাই খুলে বলি — যাতে আপনি নিজে যাচাই করতে পারেন।
প্রতিটি ধাপে কী রেকর্ড রাখা হয়
গুদামে পণ্য ঢোকার সময় বস্তা গণনা ও মোট ওজন লিপিবদ্ধ হয়। সাপ্তাহিক স্টক গণনার সঙ্গে সিস্টেমের হিসাব মেলানো হয়, অমিল থাকলে তা রেকর্ডে থাকে।
প্রতিটি লট আলাদা ব্যাচ আইডি পায় (যেমন FS-POT-2408-114)। আইডি দিয়ে পণ্যের উৎস, ক্রয়ের তারিখ, গুদাম ও মান পরীক্ষার ফল দেখা যায়।
পণ্যভেদে আর্দ্রতা, দানার আকার, ভাঙার হার, পচন বা ছত্রাকের উপস্থিতি মাপা হয়। শুঁটকি ও আমদানি পণ্যে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ল্যাব রিপোর্ট নেওয়া হয়।
কোন লট কোন গুদামের কোন সারিতে আছে তা ম্যাপ করা থাকে। ইন-আউট রেজিস্টারে প্রতিটি নড়াচড়ার তারিখ ও পরিমাণ লেখা হয়।
প্রতিটি অর্ডারে চালান, ওজন স্লিপ ও পেমেন্ট রসিদ তৈরি হয় এবং ক্রেতার অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত থাকে।
প্রকল্পভিত্তিক ক্রয়মূল্য, সংরক্ষণ ব্যয়, বিক্রয়মূল্য ও ক্ষতির হিসাব মাসিক প্রতিবেদনে দেওয়া হয়। সেটেলমেন্টে পূর্ণ হিসাব বিবরণী দেওয়া হয়।
পণ্য বুঝে নেওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ছবিসহ অভিযোগ করলে যাচাই করা হয়। বর্ণনার সঙ্গে না মিললে প্রতিস্থাপন বা টাকা ফেরত দেওয়া হয়।
পণ্য বাছাই থেকে চালান পাওয়া পর্যন্ত
পণ্য বুঝে নেওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জানান
ছবি ও ওজন স্লিপসহ অভিযোগ করুন। ব্যাচ আইডি উল্লেখ করলে যাচাই দ্রুত হয়।
ব্যাচ রেকর্ডের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই
গুদামের ইন-আউট রেজিস্টার, মান পরীক্ষার ফল ও ওজন স্লিপ মিলিয়ে দেখা হয়।
সিদ্ধান্ত ও নিষ্পত্তি
অভিযোগ সঠিক হলে প্রতিস্থাপন অথবা টাকা ফেরত। সিদ্ধান্তের কারণ লিখিতভাবে জানানো হয়।
নিজস্ব ও চুক্তিবদ্ধ সংরক্ষণ সুবিধা
| অবস্থান | ধারণক্ষমতা | ধরন |
|---|---|---|
| ঢাকা (শ্যামবাজার) | ৮০০ টন | সাধারণ গুদাম |
| বগুড়া | ১,২০০ টন | কোল্ড স্টোরেজ |
| চট্টগ্রাম | ৬৫০ টন | সাধারণ ও শুকনা পণ্য |
| দিনাজপুর | ৯০০ টন | খাদ্যশস্য |
| ঢাকা (কোল্ড) | ৩০০ টন | ফ্রোজেন, -১৮°C |
যা দিই তা হলো — প্রতিটি ধাপের রেকর্ড, ব্যাচভিত্তিক ট্রেসেবিলিটি এবং হিসাবের পূর্ণ স্বচ্ছতা।
কোনো নির্দিষ্ট ব্যাচ নিয়ে প্রশ্ন আছে? আমাদের জানান।